এসইও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ: এখনই ভাবার সময়
আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা করেন, বা শিগগিরই শুরু করতে চান, তাহলে এসইও এখন আর “ভালো থাকলে ভালো” এমন কিছু না। এটি সরাসরি আপনার ভিজিটর, বিক্রি আর ব্র্যান্ডের ভবিষ্যৎ ঠিক করে। আর এ কাজটি করানোর জন্য সঠিক সময়েই একজন দক্ষ এসইও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা আপনার সবচেয়ে বড় স্ট্র্যাটেজিক সিদ্ধান্তগুলোর একটি।
বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন নতুন নতুন ওয়েবসাইট, ইকমার্স, ফেসবুক শপ গড়ে উঠছে। গুগল সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় জায়গা পেতে হলে আপনাকে শুধু কিছু কীওয়ার্ড লিখে কনটেন্ট পোস্ট করলেই হবে না। লাগে ডাটা, স্ট্র্যাটেজি এবং ধারাবাহিক অপটিমাইজেশন। এ জায়গাতেই প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
এই গাইডে আপনি জানবেন, কেন আপনার ব্যবসার জন্য এসইও বিশেষজ্ঞ জরুরি, নিজে করার চেষ্টা আর এক্সপার্ট নিয়োগের পার্থক্য কী, এবং কিভাবে বুঝবেন আপনি এখনই বিনিয়োগ করবেন কি না।
নিজে শিখে করলে কত দূর যেতে পারবেন
এসইও শেখা অসম্ভব কিছু না। প্রশ্ন হলো, আপনি কত সময় দিতে পারবেন, আর আপনার ব্যবসা সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবে কি না।
২০২৪ সালের হিসাবে, একদম নতুন কেউ শূন্য থেকে এসইও শেখা শুরু করলে বেসিক বুঝতে ১ থেকে ৩ মাস সময় লাগে, যেখানে সে এসইও কী এবং কিভাবে কাজ করে তা শিখে নেয় (LutforPro)। অন্যদিকে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় দিলে ৩ থেকে ৬ মাসে বেসিকগুলো বেশ ভালোভাবে আয়ত্ত করা সম্ভব বলে উল্লেখ আছে (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
সমস্যা হলো, বেসিক জানা আর রেজাল্ট আনা এক জিনিস না।
আপনি যদি একজন ব্যবসার মালিক হন, আপনার প্রতিদিনের কাজের তালিকায় থাকে প্রোডাক্ট, কাস্টমার, ফাইন্যান্স, টিম, অপারেশন। এর মধ্যে আবার ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা কনটেন্ট রিসার্চ, কীওয়ার্ড অ্যানালাইসিস, অন পেজ ফিক্স, ব্যাকলিংক রিসার্চ করার মতো ফোকাসড সময় বের করা বেশিরভাগের জন্যই কঠিন।
তাই প্রশ্নটি আসলে এমন হওয়া উচিত:
আপনার ব্যবসার এই গুরুত্বপূর্ণ “গ্রোথ চ্যানেল” কি আপনি এক্সপেরিমেন্ট হিসেবে চালাতে চান, নাকি শুরু থেকেই প্রফেশনাল হাতে দিতে চান?
কেন প্রফেশনাল এসইও বিশেষজ্ঞ ভিন্ন
১. শেখার সময় বাঁচিয়ে সরাসরি রেজাল্টে ফোকাস
একজন দক্ষ এসইও বিশেষজ্ঞ হতে সাধারণত ৬ থেকে ১২ মাসের নিয়মিত প্র্যাকটিস, আপডেট আর রিয়েল প্রজেক্ট এক্সপেরিয়েন্স লাগে (LutforPro)। পেশাদার লেভেলে যেতে অনেক সময় ১ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে অন পেজ, অফ পেজ, টেকনিক্যাল এসইও আর কনটেন্ট মার্কেটিং একসাথে প্র্যাকটিস করতে হয় (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
আপনি যদি এখন নিজে শিখতে বসেন, আপনার ব্যবসা ঠিক সেই সময়টাতে কম ভিজিটর, কম সেল এবং অগোছালো এক্সপেরিমেন্টের মধ্য দিয়ে যাবে। অন্যদিকে, একজন অভিজ্ঞ এক্সপার্ট ইতিমধ্যে এই শেখার সব স্টেপ পার করে এসেছে।
আপনি তার শেখার বছরগুলো “ভাড়া” নিচ্ছেন, যাতে আপনি আগামী কয়েক মাসেই ফোকাসড রেজাল্ট দেখতে পারেন।
২. গুগল আপডেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে থাকা
গুগল এবং অন্য সার্চ ইঞ্জিন বছরে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ বার অ্যালগরিদম আপডেট করে থাকে বলে উল্লেখ আছে, আর তাই একজন এসইও বিশেষজ্ঞের জন্য নিজেকে সময়মতো আপডেট রাখা বাধ্যতামূলক (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
এর মানে, গত বছরের টেকনিক এ বছর কাজ নাও করতে পারে। আপনার হাতে যদি প্রতিদিন আপডেট পড়া, টেস্ট করা এবং কেস স্টাডি দেখা জন্য সময় না থাকে, তবে এখানে আরেকবার পরিষ্কার হয়ে যায় কেন এসইও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা অনেকটা “ইনস্যুরেন্স পলিসি”র মতো।
আপনি নিশ্চিত থাকেন, কেউ একজন নিয়মিত এগুলো দেখে, আপনার সাইটকে সেই অনুযায়ী আপডেট করছে।
৩. শুধু থিওরি না, প্র্যাকটিক্যাল গ্রোথ ফোকাস
শুধু থিওরি পড়ে কখনোই দক্ষ এসইও হওয়া সম্ভব না, বরং নিয়মিত প্র্যাকটিস, সঠিক গাইডলাইন আর রিয়েল প্রজেক্টে কাজ করাই মূল চাবি, ২০২৪ সালে এই মেসেজ নতুনদের জন্য বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে (LutforPro)।
একজন প্রফেশনাল এক্সপার্ট সাধারণত
- রিয়েল ক্লায়েন্ট প্রজেক্টে কাজ করেছে
- গুগল অ্যানালিটিক্স, সার্চ কনসোল, কীওয়ার্ড টুলের ডাটা দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে
- মার্কেটপ্লেস বা এজেন্সিতে প্রজেক্ট ডেলিভারি করেছে
ফলে আপনার ব্যবসায় সে থিওরি না, বরং “যা কাজ করে” সেটি নিয়ে আসতে পারে।
আপনার ব্যবসার জন্য বাস্তব লাভ কোথায়
১. আরও বেশি টার্গেটেড ভিজিটর এবং সেল
এসইওর মূল ভ্যালু এখানেই। একজন এক্সপার্ট আপনার জন্য এমন কীওয়ার্ড বের করবে, যেখানে
- আপনার টার্গেট কাস্টমার সত্যি সত্যি সার্চ করছে
- কিনতে বা ইনকোয়ারি করতে মানসিকভাবে প্রস্তুত
- কম্পিটিশন manageable, তাই আপনি র্যাঙ্ক করতে পারেন
এরপর সে আপনার কনটেন্ট ও পেইজগুলো সেই অনুযায়ী অপটিমাইজ করবে। ফলাফল, আপনার সাইটে যে ট্রাফিক আসবে তারা কেবল “ঘুরতে আসা মানুষ” না, বরং সম্ভাব্য কাস্টমার।
আপনি চাইলে পরে এগুলোর জন্য আলাদা করে গাইডও পড়তে পারেন, যেমন এসইও টিপস বাংলা বা বাংলায় এসইও গাইড, কিন্তু একজন এক্সপার্ট এগুলো বাস্তবে আপনার জন্য ইমপ্লিমেন্ট করবে।
২. পেইড বিজ্ঞাপনের খরচ কমে আসা
আজকে আপনি যদি প্রতিদিন ফেসবুক এড বা গুগল এডে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা খরচ করেন, সেই টাকা খরচ বন্ধ করে দিলে ট্রাফিকও থেমে যায়।
এসইও ঠিক তার উল্টো। প্রথম দিকে হয়তো সময় ও কিছু ইনভেস্টমেন্ট লাগে, কিন্তু আপনার প্রধান পেজ ও ব্লগগুলো যখন সার্চ রেজাল্টে উপরে উঠতে শুরু করে, তখন
- প্রতিদিন অটোমেটিক ভিজিটর আসতে থাকে
- একই কীওয়ার্ডের জন্য বার বার পেইড এড দিতে হয় না
- ফ্রি অর্গানিক ট্রাফিক থেকে কনভার্শন বাড়তে থাকে
একজন দক্ষ এসইও বিশেষজ্ঞ আপনার ইন্ডাস্ট্রিতে কোন কীওয়ার্ডে পেইড এডের পাশাপাশি অর্গানিক পজিশন নেওয়া উচিত, সেই ব্যালান্সও ঠিক করতে পারে।
৩. টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে লস বন্ধ হওয়া
বাংলাদেশের অনেক ব্যবসার সাইটেই সাধারণ কিছু ভুল থাকে
- সাইট ধীরে লোড হয়
- মোবাইলে ডিজাইন ভেঙে যায়
- গুগল ঠিকমতো পেইজ ইনডেক্স করতে পারে না
- ডুপ্লিকেট কনটেন্ট বা ভুল ইউআরএল স্ট্রাকচার
এসব কারণে গুগল আপনাকে পিছিয়ে রাখে, আর আপনি ভাবেন “আমার কনটেন্ট তো ভালো, র্যাঙ্ক হচ্ছে না কেন?”
একজন এসইও এক্সপার্ট শুরুতেই টেকনিক্যাল অডিট করে এসব সমস্যা ধরবে এবং প্রায়োরিটি অনুযায়ী ঠিক করবে। আপনি হয়তো একা চেষ্টা করলে এগুলো বুঝতেই মাস কেটে যেত।
মার্কেটপ্লেস, ইন্টার্নশিপ আর বাস্তব অভিজ্ঞতা: এক্সপার্টদের লার্নিং কার্ভ
বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই অনেক কোম্পানি এসইও ইন্টার্ন নিয়োগ দিয়ে থাকে, যাকে “কাজের মাধ্যমে শেখার” দ্রুত উপায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে (LutforPro)।
অন্যদিকে, ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস যেমন Fiverr, SEOClerks, Upwork বা Freelancer এ কাজ করতে করতে অনেক এক্সপার্ট ৬ মাসের মধ্যে প্রফেশনাল লেভেলের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, কারণ বাস্তব ক্লায়েন্টের প্রয়োজন অনুযায়ী স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগের মাধ্যমে শেখার গতি খুব দ্রুত বেড়ে যায় (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
এখানে আপনার জন্য মূল পয়েন্ট দুটি
- একজন যিনি শুধু কোর্স করে থিওরি জেনেছেন এবং
- একজন যিনি ২ থেকে ৩টি মার্কেটপ্লেস প্রজেক্ট বা ইন্টার্নশিপ করে রিয়েল রেজাল্ট ডেলিভার করেছেন
এই দুইজনের ভ্যালু আপনার ব্যবসার জন্য এক নয়।
আপনি যখন এসইও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করবেন, তখন এ ধরনের অভিজ্ঞতা আছে কি না, ক্লায়েন্ট কেস বা প্রজেক্টের উদাহরণ আছে কি না, এগুলো জিজ্ঞেস করুন। এতে আপনি বুঝতে পারবেন, কাকে দিয়ে কাজ করালে আপনার রিস্ক কম হবে।
আপনি চাইলে নিজেও শিখতে পারেন, কিন্তু…
এসইও শেখার জন্য আজকে অনেক রিসোর্স আছে। Udemy, Coursera, HubSpot Academy এর মতো পেইড অনলাইন কোর্স ব্যবহার করলে শেখার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, কারণ এখানে প্রফেশনাল এসইও বিশেষজ্ঞরা বাস্তব উদাহরণ দিয়ে শেখায় (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
আপনি যদি
- সম্পূর্ণ নতুন হন
- ভবিষ্যতে নিজে এসইও সার্ভিস দিতে চান
- বা নিজের টিমে এসইও লিড হিসেবে কাজ করতে চান
তাহলে ভালো কোর্স করে শেখা আপনার জন্য ইনভেস্টমেন্ট।
কিন্তু আপনি যদি এখনই আপনার ব্যবসার গ্রোথ আনতে চান, সেখানে “আমি আগে ৬ থেকে ১২ মাস শিখি, তারপর প্র্যাকটিস করি” এই এপ্রোচটি অনেক দেরি হয়ে যায়। এখানেই একজন এক্সপার্টের কাছে কাজ আউটসোর্স করা, আর আপনি ব্যাবসার বাকি বড় ডিসিশনে ফোকাস করা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।
আপনি চাইলে ভবিষ্যতে এক্সপার্টের সঙ্গে কাজ করতে করতে নিজেও বেসিক শিখে নিতে পারেন, যাচাই করতে পারবেন কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে। এই সময় আপনার জন্য বাংলায় এসইও গাইড টাইপ রিসোর্সও সহায়ক হবে।
কখন বুঝবেন, এখনই এসইও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করার সময়
নিচের কয়েকটি সাইন যদি আপনার ব্যবসায় দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে এখনই একজন এক্সপার্ট খুঁজতে শুরু করুন।
- আপনার ওয়েবসাইট আছে, কিন্তু টার্গেট কীওয়ার্ডে কোথাও র্যাঙ্ক পাচ্ছেন না
- ফেসবুক বা পেইড এডে অনেক খরচ হলেও অর্গানিক ভিজিটর আসছে খুব কম
- সাইটে ট্রাফিক আছে, কিন্তু লিড বা সেল কনভার্শন কম
- প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডগুলো গুগলে আপনার আগে আসে
- আপনি নিজে বা টিম থেকে কেউ নিয়মিত এসইও আপডেট, রিসার্চ এবং অ্যানালাইসিস করার সময় পাচ্ছেন না
এসব ক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ এক্সপার্ট ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে পুরো সাইট অডিট করে
- বর্তমান অবস্থা
- বড় সমস্যাগুলো
- দ্রুত রেজাল্ট আনতে পারে এমন কাজ
- দীর্ঘমেয়াদি গ্রোথ প্ল্যান
একটি ক্লিয়ার প্ল্যান হিসেবে আপনাকে দেখাতে পারবে।
আপনি চাইলে এসইও কনসাল্ট্যান্ট সার্ভিস বা এসইও এক্সপার্ট সেবা এর মতো কাঠামোবদ্ধ সার্ভিস মডেল থেকে শুরু করতে পারেন, যেখানে প্রথমেই একটি কনসাল্টেশন বা অডিটের মাধ্যমে রোডম্যাপ তৈরি হয়।
কীভাবে সঠিক এসইও বিশেষজ্ঞ সিলেক্ট করবেন
১. কেবল র্যাঙ্কিং প্রমিস না, ব্যবসায়িক রেজাল্ট জিজ্ঞেস করুন
যে কেউ বলতে পারে “আমি গুগলের ফার্স্ট পেজে তুলব।”
আপনি বরং জিজ্ঞেস করুন
- আগের ক্লায়েন্টদের জন্য কী ধরনের গ্রোথ এসেছে
- ভিজিটর, লিড বা সেল কত শতাংশ বেড়েছে
- কোন ইন্ডাস্ট্রি বা নিসে কাজ করেছেন
ব্যবসায়িক ফলাফলের উদাহরণ আছে মানে সে কনভার্শন ফোকাস বুঝে।
২. ক্লিয়ার প্রসেস আছে কি না দেখুন
একজন ভালো এক্সপার্ট সাধারণত পরিষ্কারভাবে বলতে পারবে
- প্রথম ৩০ দিনে কী হবে
- ৩ মাসে আপনি কী ধরনের পরিবর্তন দেখতে পারেন
- কোন কাজ আগে, কোনটি পরে
এতে আপনি বুঝতে পারবেন, তার কাজ ডাটা ও প্ল্যান ভিত্তিক কি না।
৩. রিপোর্টিং এবং কমিউনিকেশন
এসইও একবার করে চুপ করে বসে থাকার কাজ না। এটা ধারাবাহিক। তাই
- মাসিক বা সাপ্তাহিক রিপোর্ট পাবে কি না
- রিপোর্টে কেবল ভিজিটর, নাকি লিড ও সেলও দেখাবে
- আপনি যদি নন টেকনিক্যাল হন, তবুও বুঝতে পারার মতো ভাষায় কি ব্যাখ্যা করতে পারবে
এসব আগে থেকেই জেনে নিন। এতে ভবিষ্যতে ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো সহজ হবে।
শেষ কথা: আপনার সময় বনাম আপনার গ্রোথ
একজন নতুন মানুষ যদি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় দেন, তবে সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে এসইওর বুনিয়াদি বিষয়গুলো আয়ত্ত করা সম্ভব, কিন্তু একজন দক্ষ এসইও বিশেষজ্ঞ হতে আরও সময়, অভিজ্ঞতা আর গবেষণা লাগে (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
অন্যদিকে, একজন পেশাদার এসইও বিশেষজ্ঞ হতে ৬ মাস থেকে ১ বছর বা তারও বেশি সময় লাগে, কারণ অন পেজ, অফ পেজ, টেকনিক্যাল এসইও আর কনটেন্ট মার্কেটিং একসাথে প্র্যাকটিস করতে হয় (মুন্সীগঞ্জের বার্তা)।
আপনি এখন যেখানেই থাকুন
- যদি দ্রুত অর্গানিক ট্রাফিক, লিড এবং সেল বাড়াতে চান
- যদি প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে সত্যিকারের এগিয়ে যেতে চান
- এবং যদি আপনার নিজের সময়কে সবচেয়ে হাই ভ্যালু কাজের জন্য বাঁচাতে চান
তাহলে এসইও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা আপনার জন্য কস্ট না, বরং ইনভেস্টমেন্ট।
আপনি আজ সিদ্ধান্ত নিলে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সার্চ রেজাল্ট, ভিজিটর এবং সেল গ্রাফে সেই সিদ্ধান্তের প্রভাব দেখতে শুরু করবেন।



