
এসইও এক্সপার্ট সেবা নিয়ে আপনি যত দেরি করবেন, প্রতিদ্বন্দ্বী তত এগিয়ে যাবে। অনলাইন বিজনেস এখন এক ধরণের যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে প্রথম পেজে জায়গা না পেলে আপনাকে কেউ দেখবেই না। ঠিক এখানে এসেই কাজ করে এসইও এক্সপার্ট সেবা।
আপনি চাইলে নিজে ধীরে ধীরে শিখে এগোতে পারেন, আবার চাইলে প্রফেশনাল টিম নিয়েও দ্রুত ফল পেতে পারেন। এই গাইডে ধাপে ধাপে দেখে নিন, এসইও এক্সপার্ট সেবা আসলে কী, কেন আপনার দরকার, আর কীভাবে বুঝবেন কোন সার্ভিস সত্যিই আপনার জন্য কাজ করবে।
এসইও এক্সপার্ট সেবা কী এবং কেন দরকার
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো সেই প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আপনার ওয়েব পেজ নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের জন্য গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে উপরে উঠে আসে এবং অর্গানিক ভিজিটর পায়। বাংলাদেশসহ গ্লোবাল মার্কেটে এটাকে এখন খুব চাহিদাসম্পন্ন স্কিল হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ সঠিক এসইও যে কোনো অনলাইন ব্যবসার গ্রোথের ভিত্তি তৈরি করে (LutforPro, Ghoori Learning)।
একজন এসইও এক্সপার্ট সাধারণত আপনাকে তিনটি বড় ফল এনে দিতে চায়
আপনার ওয়েবসাইটে টার্গেটেড অর্গানিক ট্রাফিক,
সেই ট্রাফিককে লিড বা সেলে রূপান্তর,
এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড ভিজিবিলিটি।
আপনি নিজে শিখে ধীরে ধীরে এগোতে পারবেন, তবে মার্কেট খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। গুগলের অ্যালগরিদম, প্রতিদ্বন্দ্বী সাইট, ইউজার বিহেভিয়ার সবকিছুই বদলাচ্ছে। এক্সপার্ট সেবা নিলে আপনাকে পুরো টেকনিক্যাল ও স্ট্র্যাটেজি ডিটেইল নিয়ে ভাবতে হয় না, আপনি বিজনেসের দিকে ফোকাস করতে পারেন।
ভালো এসইও এক্সপার্ট আসলে কী করে
একজন দক্ষ এসইও এক্সপার্টের কাজ কেবল কিছু ব্যাকলিংক তৈরি করা বা কয়েকটা কিওয়ার্ড বসিয়ে কনটেন্ট লেখা না। তাকে একদিকে টেকনিক্যাল, অন্যদিকে কনটেন্ট ও মার্কেটিং, দুটোই বুঝতে হয় (Hamimit)।
একজন পেশাদার সাধারণত এই কাজগুলো করে থাকে
আপনার ওয়েবসাইট অডিট করে দুর্বল জায়গা চিহ্নিত করা
কিওয়ার্ড রিসার্চ করে মার্কেট এবং কাস্টমার ইনটেন্ট বোঝা
অন পেজ, অফ পেজ ও টেকনিক্যাল এসইওর জন্য একটি ক্লিয়ার রোডম্যাপ বানানো
রেগুলার রিপোর্ট ও ডেটা দিয়ে দেখানো, কীভাবে পরিবর্তন আসছে।
এসব কাজ অনেকটা ডাক্তারের মত ডায়াগনসিস এবং ট্রিটমেন্টের মতো। ভুল নির্ণয় মানে ভুল চিকিৎসা। তাই যে কাউকে শুধু “ব্যাকলিংক বানিয়ে দেব” কথায় ভরসা করলে ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
অন পেজ, অফ পেজ ও টেকনিক্যাল এসইও একসাথে কেমন কাজ করে
এসইও এক্সপার্ট সেবা বুঝতে হলে আপনাকে তিনটি ভিত্তি আলাদা করে পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। বেশিরভাগ ভালো এজেন্সি বা কনসাল্টেন্ট এই তিন দিক নিয়েই কাজ করে।
অন পেজ এসইও, কনটেন্ট ও স্ট্রাকচার
অন পেজ এসইও হচ্ছে আপনার সাইটের ভেতরের সব কিছুর অপটিমাইজেশন।
উদাহরণ হিসেবে
সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই এবং প্রাকৃতিকভাবে কনটেন্টে ব্যবহার
টাইটেল ট্যাগ, মেটা ডিসক্রিপশন, ইউআরএল স্ট্রাকচার
হেডিং ব্যবহার, প্যারাগ্রাফিং, ইমেজ অল্ট টেক্সট
ইন্টারনাল লিংক স্ট্রাকচার।
এসব কাজ গুগলকে বুঝতে সাহায্য করে, আপনার কনটেন্ট কোন টপিকে কতটা গভীর। ভালো অন পেজ কেবল সার্চ ইঞ্জিন নয়, আপনার পাঠকের জন্যও কনটেন্টকে অনেক পড়ার মতো করে তোলে। তাই বাংলায় এসইও গাইড ধরনের রিসোর্স থেকে আপনি চাইলে বেসিক ধারণা নিজেও ঝালিয়ে নিতে পারেন।
অফ পেজ এসইও, ভরসা তৈরি
অফ পেজ এসইও মানে আপনার সাইটের বাইরের সব সিগন্যাল।
যেমন
অন্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার সাইটে লিংক আসা
গেস্ট ব্লগিং
সোশ্যাল শেয়ারিং
অনলাইন পিআর ক্যাম্পেইন।
এগুলো মিলেই আপনার ডোমেইনের অথরিটি তৈরি করে এবং গুগলকে জানায় আপনি কতটা ভরসাযোগ্য সোর্স। এখানে সবচেয়ে বড় ভুল হয় ব্যাকলিংক কেনা বা স্প্যামি পদ্ধতিতে লিংক বানানোর মাধ্যমে। এগুলো গুগলের গাইডলাইনের বিরুদ্ধে এবং ধরা পড়লে সাইটের র্যাঙ্ক অনেক নিচে নেমে যেতে পারে (LutforPro, Ghoori Learning)।
একজন ভালো এসইও এক্সপার্ট সবসময় হোয়াইট হ্যাট পদ্ধতি ব্যবহার করবে এবং লিংক বিল্ডিংয়ের আগে আপনাকে পুরো স্ট্র্যাটেজি পরিষ্কার করে বলবে।
টেকনিক্যাল এসইও, অদেখা কিন্তু জরুরি
টেকনিক্যাল এসইও হচ্ছে সেই ব্যাকএন্ড কাজ, যা আপনার ভিজিটর সরাসরি দেখে না, কিন্তু ফিল করে।
উদাহরণ হিসেবে
সাইটের লোডিং স্পিড
মোবাইল ফ্রেন্ডলিনেস
SSL বা HTTPS ব্যবহার
সাইটম্যাপ, robots.txt ঠিকভাবে কনফিগার
ব্রোকেন লিংক ঠিক করা
ক্রলিং ও ইনডেক্সিং অপটিমাইজেশন (Hamimit)।
এসব ঠিক না থাকলে আপনার যত ভালো কনটেন্টই থাকুক, গুগল পুরো সাইট সঠিকভাবে ক্রল করতে পারে না এবং ইউজারও দ্রুত সাইট ছেড়ে চলে যায়। একজন এসইও এক্সপার্ট সেবা প্রদানকারী সাধারণত শুরুতেই একবার ফুল টেকনিক্যাল অডিট করে, তারপর ধীরে ধীরে ক্রিটিক্যাল ইস্যু গুলো ঠিক করে।
কখন নিজে শিখবেন, কখন এক্সপার্ট নেবেন
বাংলাদেশে এখন নিজে নিজে এসইও শেখার জন্য প্রচুর রিসোর্স আছে। আপনি চাইলে অনলাইন কোর্স, ব্লগ আর প্রজেক্ট প্র্যাকটিস দিয়েই ভালো লেভেলে যেতে পারবেন (The Daily Star, LutforPro)।
আপনার জন্য সহজ একটি চেকলিস্ট
আপনি যদি একদম নতুন হন
আপনার সময় থাকে, কিন্তু বাজেট সীমিত
নিজে লং টার্ম স্কিল তৈরি করতে চান
তাহলে আগে বেসিক শিখুন
অনলাইন কোর্স করুন
নিজের বা কাছের কারও সাইটে প্র্যাকটিস করুন
এবং এসইও টিপস বাংলা ধরনের কনটেন্ট নিয়মিত পড়ুন।
আর যদি
আপনার বিজনেসে আগে থেকেই কিছু ট্রাফিক আছে
আপনি দ্রুত গ্রোথ চান
এবং আপনার ফোকাস বিজনেস অপারেশন, এসইও নয়
তাহলে সরাসরি এসইও এক্সপার্ট সেবা নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এখানে আপনি ক্লিয়ার টার্গেট সেট করবেন, বাকি এক্সিকিউশন তারা ম্যানেজ করবে।
প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট সেবায় সাধারণত কী কী থাকে
অনেক এজেন্সি এবং ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন নামে প্যাকেজ অফার করে। তবে গঠনটা প্রায় এক রকম। নিচের টেবিলটা দেখলে আপনি খুব দ্রুত বুঝে যাবেন, কী ডেলিভারিবল আশা করতে পারেন।
| সার্ভিস অংশ | কী থাকে সাধারণত | কেন দরকার |
|---|---|---|
| এসইও অডিট | সাইট হেল্থ চেক, টেকনিক্যাল ইস্যু, কনটেন্ট গ্যাপ | কোথায় সমস্যা বোঝার জন্য বেসলাইন |
| কিওয়ার্ড রিসার্চ | শর্ট, লং টেইল, লোকাল ও ব্র্যান্ড কিওয়ার্ড | ঠিক কাস্টমার ইন্টেন্ট ধরার জন্য |
| অন পেজ অপটিমাইজেশন | টাইটেল, মেটা, হেডিং, কনটেন্ট স্ট্রাকচার | সাইটকে সার্চ ও ইউজারের জন্য রেডি করতে |
| কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি | ব্লগ টপিক প্ল্যান, কনটেন্ট ক্যালেন্ডার | ধারাবাহিক অর্গানিক ট্রাফিক গড়তে |
| টেকনিক্যাল ফিক্স | স্পিড, মোবাইল, ক্রলিং, ইনডেক্সিং | র্যাঙ্কিংয়ের টেকনিক্যাল বাধা দূর করতে |
| লিংক বিল্ডিং | ভ্যালুয়েবল ও হোয়াইট হ্যাট ব্যাকলিংক | ডোমেইন অথরিটি ও ট্রাস্ট তৈরি করতে |
| রিপোর্টিং | মাসিক রিপোর্ট, অ্যানালিটিক্স রিভিউ | অগ্রগতি ও ROI দেখতে |
Digital Crop-এর মতো কিছু সার্ভিস প্রোভাইডার পুরো প্যাকেজ হিসেবে কিওয়ার্ড রিসার্চ থেকে শুরু করে কনটেন্ট রাইটিং, টেকনিক্যাল এসইও, লোকাল ও ই কমার্স এসইও পর্যন্ত সব কিছু কভার করে এবং সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে ফল দেখানোর বাস্তবসম্মত টাইমলাইন সেট করে (Digital Crop)। আপনার নিজের প্ল্যান করার সময় এটাকেও রেফারেন্স হিসেবে ধরতে পারেন।
ভালোমন্দ বুঝে এজেন্সি বা এক্সপার্ট বাছবেন কীভাবে
একজন এক্সপার্টকে হায়ার করার সময় আপনাকে কেবল প্রাইসে না, তাদের পদ্ধতি ও মানসিকতায় নজর দিতে হবে। নাহলে খুব সহজেই আপনি একটা ব্ল্যাক হ্যাট লিংক প্যাকেজ কিনে বসে থাকতে পারেন, যার প্রভাব মাসখানেক পরেই উল্টো হয়ে যাবে (Ghoori Learning)।
আপনার জন্য কিছু বাস্তব যাচাই ধাপ
তাদের আগের প্রজেক্ট বা পোর্টফোলিও আছে কি না
ফলাফলের ডেটা, যেমন অর্গানিক ট্রাফিক গ্রোথ বা কিওয়ার্ড পজিশন চেঞ্জ দেখাতে পারে কি না
তারা ব্ল্যাক হ্যাট না হোয়াইট হ্যাট পদ্ধতি ফলো করে, সেটা স্পষ্ট কি না
তারা কত ঘন ঘন রিপোর্ট ও কমিউনিকেশন করবে
আপনার নিস বা ইন্ডাস্ট্রিতে আগে কাজ করেছে কি না।
প্রশ্ন করতে দ্বিধা করবেন না
“আপনারা কীভাবে ব্যাকলিংক বানান”
“সাইট অডিটের পর প্রথম তিন মাসের প্ল্যান কেমন হবে”
“কোন কোন টুল দিয়ে পারফরম্যান্স মাপবেন, যেমন Google Analytics, Search Console, Ahrefs, Semrush” (LutforPro)।
এই কথোপকথনে স্পষ্ট হয়ে যাবে, তারা আসলেই স্ট্র্যাটেজিক কাজ করবে নাকি শুধু সংখ্যার খেলায় ব্যস্ত থাকবে।
ই কমার্সের জন্য আলাদা এসইও এক্সপার্ট সেবা কেন জরুরি
ই কমার্স সাইটের এসইও সাধারণ ব্লগ বা কর্পোরেট সাইটের মতো না। এখানে প্রতিটি প্রোডাক্ট পেজই হচ্ছে আলাদা আলাদা ল্যান্ডিং পেজ, আর ভিজিটর মানেই সম্ভাব্য ক্রেতা। তাই ই কমার্স এসইও এক্সপার্টদের কাজ শুরু হয় কিওয়ার্ড রিসার্চ থেকেই একটু আলাদা ভাবে (IT Nut Hosting)।
তারা সাধারণত
ক্রেতার চাহিদাভিত্তিক কিওয়ার্ড
শর্ট টেইল, লং টেইল, লোকাল, ব্র্যান্ড ও নেতিবাচক কিওয়ার্ড
এই সব মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ কিওয়ার্ড ম্যাপ তৈরি করে।
তারপর
প্রোডাক্ট টাইটেল, ডিসক্রিপশন, ইমেজ, রিভিউ স্ট্রাকচার
ক্যাটাগরি পেজের কনটেন্ট
ফিল্টার ও সাইট নেভিগেশন
এই সব কিছু এসইও ফ্রেন্ডলি করে সাজায়।
ই কমার্সে আপনার এসইও এক্সপার্টের আরেকটি গুণ থাকতে হয়, সেটি হলো সেলস পারসন হিসেবে কাস্টমারের মন বোঝার ক্ষমতা। কারণ এখানে লক্ষ্য কেবল ভিজিটর বাড়ানো না, সরাসরি সেল বাড়ানো (IT Nut Hosting)।
ফ্রিল্যান্সার, ইন হাউজ নাকি এজেন্সি, কোনটা নেবেন
আপনি কী ধরনের এসইও এক্সপার্ট সেবা নেবেন, সেটা নির্ভর করবে আপনার বাজেট, টিম স্ট্রাকচার আর লক্ষ্য কেমন তার উপর।
ফ্রিল্যান্সার নিলে
কম বাজেটে নির্দিষ্ট কিছু কাজ করাতে পারবেন
ফ্লেক্সিবল ও দ্রুত অনবোর্ড করা যায়
তবে প্রজেক্ট ওনারশিপ আর স্কেল করার সীমাবদ্ধতা থাকে।
ইন হাউজ এসইও এক্সপার্ট নিলে
টিমের ভেতরেই ফুল টাইম এসইও রিসোর্স থাকে
ব্র্যান্ড ও প্রোডাক্ট সম্পর্কে গভীর ধারণা গড়ে উঠে
তবে স্যালারি, টুল, ট্রেইনিং সহ মোট খরচ বেশি হয়।
এজেন্সি নিলে
স্পেশালাইজড টিম, প্রক্রিয়া ও টুলস এর সুবিধা পাবেন
স্কেল আপ বা স্কেল ডাউন করা সহজ হয়
অন্য ক্লায়েন্টের এক্সপেরিয়েন্স থেকেও আপনি শিখতে পারেন।
অনেকেই শুরুতে ফ্রিল্যান্সার দিয়ে কাজ শুরু করে, পরে গ্রোথের সময় এজেন্সিতে শিফট করে। আবার কেউ কেউ স্ট্র্যাটেজি ও রোডম্যাপের জন্য আলাদা এসইও কনসাল্ট্যান্ট সার্ভিস নেয়, এক্সিকিউশন করে নিজস্ব টিম।
ফলাফল কবে দেখবেন, কীভাবে মাপবেন
এসইও এক্সপার্ট সেবা নেয়ার পর প্রথম প্রশ্নই থাকে, কবে থেকে ফল দেখতে পাবেন। বাস্তব উত্তর হচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখতে শুরু করবেন, তবে এটি নির্ভর করে আপনার সাইটের বর্তমান অবস্থা, কম্পিটিশন লেভেল আর ইন্ডাস্ট্রির উপর (Digital Crop)।
ফল মাপার জন্য অন্তত এই মেট্রিকগুলো ট্র্যাক করুন
অর্গানিক ট্রাফিক, মোট এবং টার্গেট পেজভিত্তিক
কিওয়ার্ড র্যাঙ্কিং, টপ ৩, টপ ১০, টপ ২০ পজিশন
কনভার্সন, যেমন ফর্ম সাবমিশন, কল, অর্ডার
বাউন্স রেট ও টাইম অন পেজ
ই কমার্স হলে অর্গানিক সেলস ও রেভিনিউ।
আপনার এক্সপার্ট বা এজেন্সি যদি সপ্তাহে বা মাসে একবার এই ডেটা পরিষ্কারভাবে শেয়ার করে, তবেই আপনি বুঝতে পারবেন, কাজটা আসলেই এগোচ্ছে কি না।
শেষ কথা, যুদ্ধটা লম্বা, তাই স্মার্ট হোন
এসইও এক্সপার্ট সেবা কোন ম্যাজিক না, বরং এক ধরনের ডিসিপ্লিনড ও ডেটা ড্রিভেন কাজ। এখানে শর্টকাট মানেই ঝুঁকি, আর ধৈর্য মানেই সাসটেইনেবল রেজাল্ট। আপনি চাইলে আজই দুটো কাজ করতে পারেন
- নিজের বেসিক বুঝতে বাংলায় এসইও গাইড টাইপ কনটেন্ট পড়ে নিন, যাতে এক্সপার্টের সাথে কথা বলতে আত্মবিশ্বাস থাকে।
- একজন প্রফেশনাল এর সাথে আপনার সাইটের জন্য ছোট্ট প্রাথমিক অডিট বা কনসাল্টেশন সেট করুন, যাতে স্পষ্ট হয়, সামনে তিন মাসে কী করলে লাভ হবে।
আপনি যদি স্মার্টলি প্ল্যান করেন, সঠিক এক্সপার্ট বাছেন এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে দেন, তাহলে অনলাইন মার্কেটিং যুদ্ধ জেতা আপনার জন্য কঠিন কিছু থাকবে না।



